Advertisement

Responsive Advertisement

ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের আর্থিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে বছরে ১০ শতাংশের বেশি : চেয়ারম্যান

আগরতলা, ১০ মে : ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি প্রতিবছর ঘটছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকে যেখানে প্রবৃদ্ধি ঘটেছিল ২.৫১ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরের তা বেড়ে দাঁড়িয়ে ৭.০৪ শতাংশ এবং সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছে ১০ শতাংশ। টাকার হিসেবে তা ১২হাজার ৩শো ৯৮ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা। শুক্রবার রাজধানী আগরতলার অভয়নগর এলাকার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানিয়েছেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান সতেন্দ্র সিংহ। 
 তিনি আরো বলেন বর্তমানে এই ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৩৪ টিতে। এরমধ্যে ২১ টি গ্রামীণ এলাকায়, ১১ টি শহরতলীতে এবং দুটি শহরাঞ্চলে। ৩১ শে মার্চ ২০২৪ ইংরেজি পর্যন্ত ব্যাংকের মোট ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ শতাংশ, অর্থের হিসাবে যা 
১২হাজার ৩শো ৯৮ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা। অপরদিকে ৩১ শে মার্চ ২০২৩ সালে এই ব্যাংক মোট ব্যবসা করেছিল ১১ হাজার ২শো ৭১ দশমিক ৯২ কোটি টাকার। ৩১ মার্চ ২০২৪ সালে ব্যাংকের আমানতের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে, ৯.৭০ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যা৮৮০০.৮১কোটি টাকা, অপরদিকে 31 শে মার্চ ২০২৩ ইংরেজি পর্যন্ত ব্যাংকে আমানত হয়েছে ৮০২২.৫৬কোটি টাকা। ৩১ মার্চ ২০২৪ ইংরেজি পর্যন্ত ব্যাংকের সিডি রেশিও বৃদ্ধির রয়েছে ৪০.৮৮ শতাংশ। যা ২০২৩ সালের ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত ছিল ৪০.৫০ শতাংশ। ব্যাংক আরও একটি উল্লেখযোগ্য কাজ করতে সক্ষম হয়েছে যা হলো অনাদায় ঋণের পরিমাণ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
 ব্যাংকের শাখা অনুসারেও ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩১ শে মার্চ ২০২৪ সাল পর্যন্ত ব্যাংকের প্রতিটি শাখা গড়ে ব্যবসা করেছে ৮২ দশমিক ৬৬কোটি টাকা করে, যা ২০২৩ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত ছিল ৭৬.১৬ কোটি টাকা। প্রতি কর্মচারী হিসেবেও গড়ে ব্যবসা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিবছর প্রতি হিসেবে হিসেবে ৩১ শে মার্চ ২০২৪ সাল পর্যন্ত ব্যবসা হয়েছে ১৩.৯৬ কোটি টাকা করে। অপরদিকে ৩১ শে মার্চ ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতি কর্মচারীর মাথাপিছু ব্যবসা হয়েছে ১২.৮৫ কোটি টাকা 
 পরিবেশ রক্ষার কথা চিন্তা করে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক রাজ্যের মধ্যে প্রথম সৌর বিদ্যুৎ চালিত ভ্রাম্যমান এটিএম পরিষেবা চালু করেছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আগরতলায় সবুজ পতাকা নেড়ে এই পরিষেবার সূচনা করেছিলেন। একইভাবে কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পে গ্রামীণ ব্যাংক সাধারণ মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে ঋণ প্রদান করছে। সব মিলিয়ে রাজ্যের অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক। এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ