Advertisement

Responsive Advertisement

ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন অবশেষে আইওএ-র সঙ্গে যুক্ত, রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রে খুলল নতুন দিগন্ত




আগরতলা, ৯ জানুয়ারি: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (আইওএ)-এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হল ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (টিওএ)। এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতির ফলে ত্রিপুরা ক্রীড়াজগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল বলে মনে করছেন ক্রীড়াপ্রেমী মহল। রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের জন্য এবার সত্যিকার অর্থেই খুলে গেল স্বাধীনতা, ন্যায্যতা ও সমান সুযোগের দরজা। পাশাপাশি জাতীয় স্তরে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার একটি সুস্পষ্ট পথও তৈরি হল।
এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের নেপথ্যে নিরন্তর সহায়তা ও দিকনির্দেশনার জন্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে টিওএ। রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে জানানো হয়েছে।
এছাড়াও, কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রী ডা. মনসুখ মাণ্ডব্যের উৎসাহ ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। তাঁর সদর্থক মনোভাব ও সহানুভূতিশীল উদ্যোগ এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।
ত্রিপুরা সরকারের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা এবং অঙ্গীকার এই সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পি. টি. ঊষার নেতৃত্ব ও সমর্থনের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর সহযোগিতায় ত্রিপুরার ক্রীড়াক্ষেত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
এছাড়া টিওএ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান রতন সাহা এবং ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকারের অবদানকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এদিন টিওএ নেতৃত্বের সঙ্গে মাননীয় কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী ডা. মনসুখ মাণ্ডব্যের সৌজন্য সাক্ষাৎও অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ক্রীড়া প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। এই সাক্ষাৎকে ত্রিপুরার ক্রীড়াক্ষেত্রের ইতিহাসে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আইওএ-র সঙ্গে টিওএ-র যুক্ত হওয়ার ফলে আগামী দিনে ত্রিপুরার ক্রীড়াবিদরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও বেশি সুযোগ পাবেন এবং রাজ্যের ক্রীড়া সংস্কৃতি এক নতুন গতি লাভ করবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ