এবছর শীতের মরশুমে রাজ্যের আবহাওয়া সম্পর্কে শুক্রবার আলোচনা করতে গিয়ে তিনি জানান, এক জানুয়ারি ২০২৬ ইং থেকে রাজ্যের দিনের বেলা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অন্যান্য বছরের গড় তাপমাত্রার তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। এই পরিমাণ ৫ ডিগ্রি থেকে শুরু করে ৯ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত কম ছিল। গত পাঁচ জানুয়ারি তিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬.৮ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড, যা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তুলনায় ৮.৬ ডিগ্রি কম ছিল। এটি এখন পর্যন্ত এবছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ঐদিন দেশের অন্যান্য জায়গার আবহাওয়া অফিসের সঙ্গে তুলনা করে দেখা গিয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডে ত্রিপুরা রাজ্য সর্বনিম্ন ছিল। তাই এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার দিন হিসেবে ৫ জানুয়ারিকে উল্লেখ করা যায় বলেও জানান। দিনের বেলা তাপমাত্রা এত নামার কারণ হিসেবে তিনি জানান সারাদিন ধরে ঘন কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকা, আকাশ মেঘলা থাকার কারণে সূর্যের আলো পৌঁছাতে পারেনি।
পাশাপাশি তিনি আরো জানান এদিন আবহাওয়ার যে আগামী তিন দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তাতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় তেমন কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে না। ২৩ ডিগ্রী থেকে ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে উঠানামা করবে। আশা করা যাচ্ছে তিন দিনের পর থেকে দিনের বেলার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে। এই সময় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের পাশাপাশি ঘুরাফেরা করছে আগামী তিনদিন পর তাদের ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে বলেও আশা করা যাচ্ছে বলে জানান। কিছুদিন ধরে রাজ্যজুড়ে ঘন কুয়াশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই কুয়াশা মোটামুটি মধ্যরাত থেকে পরদিন বেলা প্রায় ১১টা পর্যন্ত স্থায়ী থাকছে বলে জানান। এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপক প্রভাব পড়ছে, বিশেষ করে বহিরাজ্য থেকে সকালবেলা আসা বিমান ওটা নামায় প্রভাবিত হচ্ছে, সেইসঙ্গে সড়ক পরিবহনও অনেকটা ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। আগামী দুদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে।
0 মন্তব্যসমূহ