Advertisement

Responsive Advertisement

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংকট নিরসনে কাজ করছে বর্তমান সরকার: মুখ্যমন্ত্রী


আগরতলা, ২৬ আগস্ট: রাজ্যে খুব সহসাই সুপার-স্পেশালিটি এবং মাস্টার অফ ডেন্টাল সার্জারি (এমডিএস) কোর্স শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আজ আগরতলার প্রজ্ঞাভবনে নবনিযুক্ত বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অফিসারদের (চিকিৎসক) নিয়োগ পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।
 
                          অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, রাজ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চাহিদা ছিল। এখনো এনিয়ে সংকট রয়েছে। সরকার টিপিএসসি'র মাধ্যমে ১৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে। যদিও মাত্র ৪৫ জন প্রার্থী পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তাই আবারও বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে এবং এই সময়ের মধ্যে আরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাশ করবেন। যাদেরকে দিয়ে শূন্যতা পূরণ করা যাবে। তিনি আজকে যারা নিয়োগপত্র পেয়েছেন তাদেরকে অভিনন্দন জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন মানুষ এবং তাদের সেবার কাজ করার জন্য তৈরি করা হয় ডাক্তারদের। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ডাক্তারদের নিশানা (সফট টার্গেট) করা হয়। 
                          মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন রাজ্যে এমবিবিএসের জন্য ৪০০টি আসন এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট (পিজি) এর জন্য ৮৯টি আসন রয়েছে। সরকার সুপার-স্পেশালিটি কোর্স শুরু করার চেষ্টা করছে এবং এজন্য এনএমসির সাথে আলোচনা চলছে। সরকারি মেডিকেল কলেজে আরো প্রায় ১০০ আসনের জন্য অনুমোদন পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সরকার শুধু ডাক্তারদের অফার প্রদানের মাধ্যমে নয়, অন্যদেরও অফার দিয়ে জনশক্তি বৃদ্ধি করছে। 

                              মুখ্যমন্ত্রী বলেন কেউ তার গ্রেডের ভিত্তিতে কোনও ডাক্তারকে তুলনা করতে পারেন না। কারণ একজন ডাক্তারকে প্রথমে নিট (NEET) উত্তীর্ণ হতে হয়, তারপরে এমবিবিএস কোর্সে পড়াশুনা করতে পারবে। আর চার বছর পরে কমপক্ষে ৫০% নম্বর নিয়ে এমবিবিএস পাশ করতে হবে। ডাক্তার হওয়ার জন্য তাদের খুব কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সরকার বিডিএস কোর্স শুরু করেছে এবং এমডিএস কোর্সও শুরু করা হবে। বিএসসি নার্সিংয়ের জন্য ৫০টি আসন রয়েছে। একটা সময় নার্সিং স্টাফের সমস্যা ছিল। এখন সেই শূন্যতা পূরণ করার জন্য‌ও আমরা কাজ করছি। তিনি চিকিৎসকদের মানবিক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার আহ্বান রাখেন। 

                            এদিন এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, অতিরিক্ত স্বাস্থ্য সচিব রাজীব দত্ত, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ তপন মজুমদার, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা সাজু ওয়াহিদ সহ অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকগণ। এদিন স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে ৪৫ জন নবনিযুক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে নিয়োগ পত্র প্রদান করেন মুখ্যমন্ত্রী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ