Advertisement

Responsive Advertisement

রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই একটি করে নেশা মুক্তি কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে : টিঙ্কু রায়

আগরতলা, ৯জানুয়ারি : রাজ্যের বর্তমান সরকার নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার জন্য যেমন একদিকে কাজ করছে তেমনি। যুবসমাজের যারা নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে তাদেরকেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। রাজ্য সরকার মানুষের কল্যানে যে কাজ করছে তা বিধানসভায় দেওয়া তথ্য থেকে বুঝা যায়। মঙ্গলবার সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিঙ্কু রায়ের কাছে বিধায়কদের তরফে জানতে চাওয়া হয় যে রাজ্যে নতুন করে অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি সেন্টার চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা। এই প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী টিঙ্কু রায় জানান, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের পরিকল্পনা রয়েছে প্রত্যেক জেলায় অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি সেন্টার খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো জানান 'অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি' নামে একটা স্কিম রয়েছে ভারত সরকারের সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের। সেই অনুযায়ী স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছ থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে, কারণ অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি স্থাপন করার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রয়োজন হয়। এর প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত ভারত সরকার আগরতলার পার্শবর্তী নরসিংগড়ে অবস্থিত মডার্ন সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে একটা অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি সেন্টারের অনুমোদন দেয়। যা বর্তমানে রাজ্যের একমাত্র সরকারী অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি সেন্টার। যেখানে ড্রাগ নেশা শক্তদের নেশা মুক্ত করার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।
সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য দপ্তর সিপাহিজলায় ২০০ বেডের 'ইন্টিগ্রেটেড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার ফর অ্যাডিক্টস' হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে রাজ্য সরকারের সমাজ কল্যাণ এবং সমাজ শিক্ষা দপ্তরকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 
পাশাপাশি ত্রিপুরা ট্রাইবেল অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলে একটা ড্রাগ ডি অ্যাডিকশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা খুব শিগগিরই চালু করা হবে বলেও জানানো হয়েছে এদিন।
কেন্দ্রীয় সরকারের সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রণালয়ের অন্তর্গত ডিস্ট্রিক্ট ডি এডিকশন সেন্টার স্কিমে প্রস্তাব চাওয়া হয়েছিল এনজিওদের কাছ থেকে ই-অনুদান পোর্টেলের দ্বারা। সেই ভিত্তিতে দক্ষিণ এবং গোমতী জেলা জেলাশাসকের সুপারিশের ভিত্তিতে দুটো প্রস্তাব ভারত সরকারের কাছে গেছে অনুমোদনের জন্য বলেও একদিন লিখিত উত্তরে জানিয়েছেন মন্ত্রী টিঙ্কু রায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ