Advertisement

Responsive Advertisement

সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে : প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী

কুমারঘাট, ২৭ নভেম্বর: সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার সূচনা হয়েছে। সেই সাথে প্রতি ঘরে সুশাসন ২০ অভিযানও শুরু হয়েছে। এই দুই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া। আজ ফটিকরায়ের নজরুল কলাক্ষেত্রে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা, প্রতি ঘরে সুশাসন ২০ অভিযানে শিবির ও কুমারঘাট ব্লকভিত্তিক যুব উৎসবের উদ্বোধন করে একথা বলেন প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী সুধাংশু দাস। কুমারঘাট ব্লকের ফটিকরায়, গোকুলনগর, গঙ্গানগর, জগন্নাথপুর, কৃষ্ণনগর, রাজনগর, সায়দারপাড় ও রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা ও প্রতি ঘরে সুশাসন ২.০ অভিযানে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামী বীরসা মুন্ডার জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সারা দেশে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার সূচনা করেন। একই সাথে রাজ্যেও প্রতি ঘরে সুশাসন ২০ অভিযান শুরু হয়েছে। বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা ও প্রতি ঘরে সুশাসন ২০ অভিযানে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী বলেন, কুসংস্কার, পশ্চাদপদতা ও নেশার বিরুদ্ধেও যুবাদের হাতে হাত ধরে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই সমাজ, রাজ্য ও দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। সংস্কৃতি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে প্রতিভাবান শিল্পীদের চিহ্নিত করে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর যুব উৎসবের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সুমতি দাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিডিও ডা. সুদীপ ভৌমিক। উপস্থিত ছিলেন ঊনকোটি জিলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস, আম্বেদকর মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. সুব্রত শৰ্মা, জেলা ক্রীড়া আধিকারিক অর্জুন দেবনাথ, সমাজসেবী পবিত্র দেবনাথ প্রমুখ। অনুষ্ঠান মঞ্চে অতিথিগণ বিভিন্ন দপ্তরের প্রকল্পের সুবিধা সুবিধাভোগীদের প্রদান করেন। এছাড়া প্রশাসনিক শিবিরের স্টলে শিল্প ও বাণিজ্য, মৎস্য, কৃষি, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া, শিক্ষা, ত্রিপুরা গ্রামীণ আজীবিকা মিশন, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা, কৃষি, বিজ্ঞান কেন্দ্র, প্রাণীসম্পদ বিকাশ, শ্রম, পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধি, বন, স্বাস্থ্য ইত্যাদি দপ্তর থেকে পরিষেবা প্রদান করা হয়। মহকুমা প্রশাসন থেকে ৪৮টি পিআরটিসি, ৩টি এসটি, ৩৭টি এসসি এবং ২৫টি ওবিসি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। আয়ের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় ৮১টি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ