আগরতলা, ২২ নভেম্বর: প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, তিনি খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন। শনিবার ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একতা জানিয়েছেন প্রদেশ সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক। তিনি আরো বলেন, রাজ্যের বর্তমান সরকার বেকার যুবক-যুবতীদের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। রাজ্যের বেকার অংশের যুবক-যুবতীদের কি করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায় তার জন্য সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে, সরকারের এই চিন্তাভাবনার অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিভিন্ন দপ্তরে ৪০০ জনের বেশি নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বর্তমান সরকার রাজ্যে একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জন্য দলের তরফ থেকে সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, কারণ এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এর ফলে রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক সুবিধা হবে। বিজেপির মানুষের জন্য কল্যাণকামী চিন্তাধারার কারণে একের পর এক রাজ্যে জয়লাভ করছে। এক্ষেত্রে সর্বশেষ উদাহরণ বিহার। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর চিন্তা ধরার জন্য ২০১৪ সাল থেকে নতুন ভারতের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সারা বিশ্বের মধ্যে এক অন্যতম নাম হয়ে উঠছে ভারত বর্ষ। বর্তমান সময় রাজ্যে কিছু কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটছে যা বিজেপি সমর্থন করে না, রাজ্যের একেবারে প্রান্তিক এলাকায় বসবাস করা মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাজ্যের জনজাতি অংশের মানুষের কল্যাণে যেভাবে কাজ করে চলছে সরকার তার জন্য কিছু কিছু এলাকায় ষড়যন্ত্র করে উন্নয়নের কাজকে ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিরোধীরা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, কিন্তু বর্তমান সরকারের সময় কোন বিধায়ক কোন মন্ত্রী বা কোন মহকুমা শাসককে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হতে হয়নি। অথচ বামেরা পঁচিশ বছর শাসন করে গিয়েছে তাদের সময় এই সকল ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে জানান তিনি। বর্তমান সরকার এবং বিজেপি কোন ধরনের সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয় না বলাও তুমি এদিন স্পষ্ট করে দেন।
এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে সুবল ভূমিকের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন আরো এক প্রদেশ সহ-সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা এবং প্রদেশ মিডিয়া সেলের ইনচার্জ সুনীত সরকার।
0 মন্তব্যসমূহ