Advertisement

Responsive Advertisement

উৎপাদন আরো বৃদ্ধির অঙ্গীকারকে সামনে রেখে শেষ হলো দুদিন ব্যাপী রাজ্য ভিত্তিক কমলা উৎসব

 

আগরতলা, ২৮ নভেম্বর: রাজ্যে কমলা চাষের পরিমান আরো বৃদ্ধি এবং কমলা উৎপাদনের বিষয়টিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় কমলা উৎসব। ২০২৫ সালের দুদিন ব্যাপি রাজ্য ভিত্তিক কমলা উৎসবের শেষ দিন ছিল রবিবার। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তার ড. ফনী ভূষণ জমাতিয়া, উদ্যান এবং মৃত্তিকা সংরক্ষণ দপ্তরের অধিকর্তা দীপক কুমার দাস, আইসিএআর ত্রিপুরা সেন্টারের শাখার ইনচার্জ ড বিশ্বজিৎ দাস, উদ্যান এবং মৃত্তিকা সংরক্ষণ দপ্তরের পশ্চিম জেলা অফিসের সহ-অধিকর্তা সুজিত দাস, MIDH প্রকল্পের কনসালটেন্ট গোপাল মল্ল প্রমুখ। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এস এইচ আর এস'র প্রধান ড রাজীব ঘোষ, এমওডিসি এনইআর'র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব দেববর্মা। 
এদিন উৎসবের অংশ গ্রহণকারী রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার কমলা চাষীদের নিয়ে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় গ্রহণকারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ দপ্তরের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন মেলায় আসা কৃষকরা। 
প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় জম্পুই জেলা কৃষি মহকুমার চাষী দিল্লী কুমার কলই, তাকে নগর পাঁচ হাজার টাকা ও মানপত্র দেওয়া হয়, তিন জন চাষী দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এরা হলেন যথাক্রমে অম্পি এলাকার দুই জন মহেশ্বর কলই ও চাণমনি কলই, জম্পুইজলার বৃষ কুমার কলই। তাদের সকলকে নগদ তিন হাজার টাকা ও মানপত্র দেওয়া হয়। তৃতীয় স্থানও যথা ক্রমে তিন জন হয়। এরা হলেন, জুম্পাইজলার নমিতা কলই, রুপাইছড়ির দীপেন মোহন ত্রিপুরা ও কাঞ্চনপুরের বৃশমালা রিয়াং, তাদের সবাইকে নগদ দুই হাজার টাকা করে ও মানপত্র দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে অংশ গ্রহণকারী সবাইকে ৫০০টাকা করে সান্তনা পুরস্কার দেওয়া হয়। মূলত কমলা চাষীদের উৎসাহিত করার জন্যই রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ। 
দ্বিতীয় দিনেও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। এদিনও মেলায় প্রচুর সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হন এবং মেলা থেকে কমলা কিনে নেন। রাজধানী আগরতলায় প্রথম বারের মত কমলা উৎসবের আয়োজন করা হয়। তাই স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। মেলার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষ সুসজ্জিত পুষ্পউদ্যানটিও ঘুরে দেখেন। মেলায় আসা দর্শদের অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেন শহরের মধ্যে এমন সুন্দর একটি বিনোদন মূলক জায়গা রয়েছে তা তাদের জানা ছিল না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ